ইয়েল ইউনিভার্সিটির ক্লাইমেট ফেলোশিপ: আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন তরুণরা

ইয়েল ইউনিভার্সিটির ক্লাইমেট ফেলোশিপ: বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণ নেতৃত্বের বিকাশ ও তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইয়েল ইউনিভার্সিটির জ্যাকসন স্কুল অব গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স আয়োজন করছে ‘ইমার্জিং ক্লাইমেট লিডার্স ফেলোশিপ ২০২৭’। ক্লিন এনার্জি এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা উদীয়মান নেতাদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা লাভের সুযোগ পাবেন।

ইয়েল ইউনিভার্সিটির ক্লাইমেট ফেলোশিপ: আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন তরুণরা
ইয়েল ইউনিভার্সিটির ক্লাইমেট ফেলোশিপ: আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন তরুণরা

এই ফেলোশিপ প্রোগ্রামের বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

আবেদনের যোগ্যতা

এই ফেলোশিপটি মূলত গ্লোবাল সাউথের (এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং লাতিন আমেরিকা/ক্যারিবিয়ান অঞ্চল) দেশগুলোর প্রতিনিধিদের জন্য উন্মুক্ত। আবেদনকারীদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্ত রয়েছে:

  • পেশাগত অভিজ্ঞতা: আবেদনকারীকে অবশ্যই কর্মজীবনের ৫ থেকে ১০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে।
  • সাফল্যের প্রমাণ: স্থানীয়, জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্লিন এনার্জি বা জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ক্ষেত্রে সফল কাজের রেকর্ড থাকতে হবে।
  • ভাষা দক্ষতা: ইংরেজি ভাষায় চমৎকার দক্ষতা থাকা বাধ্যতামূলক।
  • নেতৃত্বের সম্ভাবনা: কর্মজীবনে নেতৃত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের আগ্রহ থাকতে হবে।

প্রোগ্রামের সময়সূচী ও প্রতিশ্রুতি

নির্বাচিত ফেলোদের পুরো প্রোগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • সশরীরে অংশগ্রহণ: ইয়েল ওরিয়েন্টেশন উইক (১-৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭) এবং প্যারিসে ক্লোজিং উইক (১৪-১৮ জুন, ২০২৭)।
  • অনলাইন সেশন: ছয়টি রিমোট লার্নিং জার্নিতে অংশগ্রহণ (প্রতি বুধবার)।
  • গ্রুপ প্রজেক্ট: মার্চ থেকে জুন ২০২৭ পর্যন্ত একটি সহযোগী গ্রুপ প্রজেক্টে কাজ করার বাধ্যবাধকতা।

নির্বাচনের মাপকাঠি

প্রোগ্রামটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। বিভিন্ন সেক্টর থেকে আসা বৈচিত্র্যময় প্রতিনিধিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা, ব্যাংকার, সাংবাদিক, গবেষক, আইন বিশেষজ্ঞ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। মূল লক্ষ্য হলো এমন নেতাদের খুঁজে বের করা যারা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জলবায়ু নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

আবেদন প্রক্রিয়া

পুরো আবেদন প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলো হলো:

  • ১. আবেদন ফরম: ইয়েল ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল পোর্টালে গিয়ে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। (আবেদনের জন্য একটি ইলেকট্রনিক অ্যাপ্লিকেশন ফি প্রযোজ্য)।
  • ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
  • সর্বোচ্চ ৩ পৃষ্ঠার একটি সিভি বা রেজুমে।
  • একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও স্টেটমেন্ট।
  • সর্বোচ্চ ৬০০ শব্দের একটি পার্সোনাল স্টেটমেন্ট।
  • একটি লেটার অব রিকমেন্ডেশন বা সুপারিশপত্র।
  • ৩. ডেডলাইন: আবেদনের শেষ সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, সকাল ১১:০০ টা (ইস্টার্ন টাইম)। কোনোভাবেই সময় বাড়ানো হবে না।

আবেদন করতে নিচের “আবেদন করুন এখানে লেখা বাটনে ক্লিক করুন”

ফেলোশিপের বিশেষ সুবিধা

নির্বাচিত ফেলোদের ইয়েল ওরিয়েন্টেশন এবং প্যারিস ক্লোজিং উইকের জন্য যাতায়াত (রাউন্ড-ট্রিপ এয়ারফেয়ার), হোটেল এবং ট্রান্সফার খরচ প্রোগ্রাম থেকেই বহন করা হবে। এছাড়া অধিকাংশ খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে।

আগ্রহী প্রার্থীদের শেষ মুহূর্তের জটিলতা এড়াতে ডেডলাইনের অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে আবেদন সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবেদনের বিস্তারিত জানতে এবং অনলাইন ফর্ম পেতে ভিজিট করুন ইয়েলের অফিসিয়াল জ্যাকসন স্কুল ওয়েবসাইট।

আরো পড়ুন>>: ইয়েল ইউনিভার্সিটির ক্লাইমেট ফেলোশিপ: আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন তরুণরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: কপিরাইট সংরক্ষিত!!