বাঁশখালীতে বন্যা: চলমান ভয়াবহ বন্যায় বাঁশখালীর বিভিন্ন এলাকার শত শত পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বন্যার কবলে পড়ে ইতোমধ্যেই ৪টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা পুরো এলাকায় শোকের ছায়া ফেলেছে। এমন এক দুঃসময়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন মানবতার সেবায় নিয়োজিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সংগঠন “ফেইজবুক মানবতার জয় হোক”।
১১ জুলাই, ২০২৬, দুপুর ১টায় বাঁশখালীতে বন্যা কবলিত ৪ নং ওয়ার্ডের পানিবন্দি মানুষদের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা। এই মানবিক উদ্যোগের নেতৃত্বে ছিলেন রামু রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা বাবু পূর্ণধন বড়ুয়া এবং ২৩ নং পূর্ব মোহাম্মদপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বাবু উপেল বড়ুয়া।

স্থানীয়দের দুর্দিনে পাশে দাঁড়াতে এই দুই মহৎপ্রাণ ব্যক্তি তাঁদের এক মাসের বেতনের টাকা দিয়ে ত্রাণ সামগ্রী সংগ্রহ করেন। সংগঠনটির মাধ্যমে আজ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে ৩ কেজি চাল, ২ কেজি আলু, ১ কেজি ডাল, ১ কেজি মুড়ি, ২৫০ গ্রাম চিনি, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১টি লাক্স সাবান এবং ১ প্যাকেট নাটি বিস্কুট বিতরণ করা হয়। এই সহায়তায় স্থানীয় অনেক পরিবার কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে পেয়েছে।
ত্রাণ বিতরণকালে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বাবু পূর্ণধন বড়ুয়া ও শিক্ষক উপেল বড়ুয়া বলেন, “বন্যার্ত মানুষের এই দুঃসময়ে আমরা সাধ্যমতো পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো, সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবানরা যেন একে অপরের দেখাদেখি বিপদের সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। আসুন, সকলে মিলে একে অপরের পরিপূরক হয়ে ভালো থাকি। পরিশেষে, মানবতার জয় হোক।” সংগঠনের সদস্যগণ “মানবতার জয় হোক” ফেইজবুক পেইজটি ফলো করার জন্য অনুরোধ করেছি। ফেইজটি ফলো করার জন্য নিচের লিংকে ক্লিক করুন:
উল্লেখ্য, ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমটি স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, এমন মানবিক সহায়তা তাঁদের এই চরম দুর্দিনে বড় ধরনের সাহারা হিসেবে কাজ করেছে।